ঘরেই তৈরি করুন স্বাস্থ্যকর লাচ্ছা সেমাই

ঘরেই তৈরি করুন স্বাস্থ্যকর লাচ্ছা সেমাই

আর মাত্র কয়েকদিন পরেই ঈদ। ঈদ মানে বিভিন্ন রকম খাওয়া-দাওয়া, নতুন নতুন পোশাক পরা। আর এই বিভিন্ন রকম খাবারের মধ্যে সর্বপ্রথম যে খাবারটির কথা মনে পরে তা হলো সেমাই। সেমাই ছাড়া ঈদ ভাবাই যায় না। তাই সেমাই বাজার থেকে কিনে আনতে হয়। তবে বাজার থেকে কেনা সেমাই কতটা স্বাস্থ্যকর তা নিয়ে সন্দেহ থেকেই যায়। তাই ঘরে বসেই খুব সহজে বানাতে পারেন লাচ্ছা সেমাই। চলুন তবে জেনে নেয়া যাক লাচ্ছা সেমাই তৈরির পদ্ধতি সম্পর্কে- উপকরণ: ময়দা এক কাপ, মাখন আধা কাপ, সয়াবিন তেল এক কাপ, কর্নফ্লাওয়ার পাঁচ টেবিল চামচ, তেল ভাজার জন্য, ঘি এক টেবিল চামচ। প্রণালী: প্রথমে একটি পাত্রে ময়দার সঙ্গে অল্প অল্প করে পানি মিশিয়ে কাই তৈরি করুন। অতিরিক্ত নরম যেন না হয়ে যায় সেদিকে লক্ষ রাখবেন। কাই দুই ভাগে ভাগ করে গোল করে চেপে নিন। মাঝে খানিকটা গর্ত করে নিন, অনেকটা ডোনাটের মতো হবে আকৃতি। মাখন গলিয়ে নিন। একটি ছড়ানো ট্রে অথবা বাটি নিন। গলিয়ে নেয়া মাখন ছড়িয়ে দিন উপরে। এবার সয়াবিন তেল ও কর্নফ্লাওয়ার দিয়ে দিন মাখনের উপর। কাঁটাচামচের সাহায্যে নেড়ে মিহি করুন। ডোনাট আকৃতির ডোগুলো ট্রেতে দিয়ে মিশ্রণটি চামচের সাহায্যে মেখে দিন। ২০ মিনিট রেখে দিন এভাবেই। ২০ মিনিট পর ডোয়ের গর্তের ভেতর আঙ্গুল দিয়ে ঘোরাতে থাকুন। এক হাত দিয়ে ঘোরাবেন ও অন্য হাত দিয়ে চেপে চেপে দেবেন। বেশ অনেকক্ষণ এভাবে ঘোরাতে হবে। ডো যেন ছিড়ে না যায়। গর্ত বড় হয়ে ডো খানিকটা লম্বা হলে প্যাঁচ দিয়ে বাংলার ৪ এর মতো করে ট্রেতে রাখুন। এবার নিচের অংশ উপরে তুলে দিয়ে জিরো বা শূন্যের আকৃতি করুন। আবার একইভাবে হাত দিয়ে ধরে ঘোরাতে হবে ও একইভাবে আবারো প্যাঁচ দিতে হবে। দুটি ডো একইভাবে পেঁচিয়ে রাখুন। কিছুক্ষণ ট্রেতে কর্নফ্লাওয়ারের মিশ্রণে রেখে আবারো একইভাবে পেঁচাতে থাকুন। এভাবে মোট পনেরো থেকে ষোলবার পেঁচান। যখন দেখবেন ডো একদম নরম হয়ে গেছে ও সুতার মতো পেঁচানো অংশগুলো বোঝা যাচ্ছে তখন পেঁচানো বন্ধ করতে হবে। একটি পিড়ির উপর সাবধানে নিন একটি ডো। হাতের সাহায্যে হালকা করে চেপে বড় করে দিন ডো। এবার চুলায় তেল গরম করে ঘি দিয়ে দিন। মাঝারি আঁচে ডো ভেজে নিন। ভাজার সময় কাঠির সাহায্যে সেমাইগুলো সামান্য আলাদা করে দেবেন। এক পাশ শক্ত হয়ে গেলে সাবধানে উলটে দিন। মচমচে হয়ে গেলে সেমাই উঠিয়ে তেল ঝরিয়ে নিন। ব্যস, তৈরি হয়ে গেল স্বাস্থ্যকর লাচ্ছা সেমাই।