ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ দেয়ার প্রতিশ্রুতি বায়স্তবায়ন আ. লীগের

ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ দেয়ার প্রতিশ্রুতি বায়স্তবায়ন আ. লীগের

এক যুগ আগে নির্বাচনি ইশতেহারে রূপকল্প-২০২১ ঘোষণার মাধ্যমে লোডশেডিংপীড়িত জনগোষ্ঠিকে আলোর স্বপ্ন দেখায় আওয়ামী লীগ। ক্ষমতায় এসে সে প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন করেছে দলটি। আর এ সাফল্যের সুফল পৌঁছেছে মাঠ-ঘাট-চরাঞ্চল ও দুর্গম পাহাড়ে। বাস্তবে রূপ নিয়েছে ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ, শতভাগ বিদ্যুতায়িত জেলা বা উপজেলার স্বপ্ন।

২০০৯ সালের আগেও লোডশেডিং ছিল নিত্যদিনের সঙ্গী। কখন বিদ্যুৎ আসবে অপেক্ষার প্রহর গুনতেন গ্রাহক। অথচ মাত্র ১২ বছরেই পাল্টে গেছে দৃশ্যপট।

বিদ্যুৎ খাতের গবেষণা ও পরামর্শক সংস্থা পাওয়ার সেলের তথ্য বলছে, দেশে বিদ্যুৎকেন্দ্র এখন ১৪১টি, ২০০৯ সালে এ সংখ্যা ছিলো ২৭। এ সময়ে বিদ্যুতের উৎপাদন ক্ষমতা ৪ হাজার ৯৪২ মেগাওয়াট থেকে পৌঁছেছে ২৪ হাজার ৪২১ মেগাওয়াটে। আওয়ামী লীগ সরকার দায়িত্ব নেয়ার আগে ৪৭ ভাগ মানুষ ছিল বিদ্যুতের আওতায় ছিল। এখন তা হয়েছে ৯৯ ভাগ। আর মাথাপিছু বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিমাণ আড়াই গুণ হয়েছে।

উৎপাদনের পাশাপাশি বেড়েছে বিদ্যুতের সঞ্চালন ও বিতরণ সক্ষমতা। গত এক যুগে নতুন করে বিদ্যুতের সুবিধায় এসেছে ২ কোটি ৮৩ লাখ গ্রাহক। আর বিতরণের ক্ষেত্রে সিস্টেম লস ১৪ শতাংশ থেকে নেমে এসেছে সাড়ে ৮ শতাংশে।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ জানান, মাঠ-ঘাট-চরাঞ্চল পেরিয়ে দুর্গম পাহাড়ে পৌঁছে গেছে বিদ্যুৎ। সরকারের ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ দেয়ার নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবে রূপ নিয়েছে।

বিশ্লেষকেরা বলছেন, বিদ্যুৎ খাতে নানা সাফল্যের পর বর্তমান সরকারের সামনে এবার চ্যালেঞ্জ সবাইকে কম দামে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ দেয়া।