নিউজিল্যান্ডে কারাবন্দির মতো আচরণ পেয়েছি : হাফিজ

নিউজিল্যান্ডে কারাবন্দির মতো আচরণ পেয়েছি : হাফিজ

তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের পর এখন টেস্ট সিরিজে মুখোমুখি পাকিস্তান ও নিউজিল্যান্ড। তবে সীমিত ওভারের সিরিজ শেষ করে দেশে ফিরে গেছেন পাকিস্তানের অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার মোহাম্মদ হাফিজ। কেননা টেস্ট থেকে অনেক আগেই অবসর নিয়েছেন তিনি। টি-টোয়েন্টি সিরিজে ১৬০ স্ট্রাইকরেটে ১৪০ রান করে তিনিই ছিলেন পাকিস্তানের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক।

তবে নিউজিল্যান্ডের যাওয়ার পরের অভিজ্ঞতাটা মোটেও ভাল ছিল না হাফিজসহ পুরো পাকিস্তান দলের। করোনাভাইরাসের কারণে ১৪ দিনের বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হয়েছে তাদের। সেখানে নেতিবাচক অভিজ্ঞতাই হয়েছে হাফিজদের। তার মতে, কোয়ারেন্টাইনে কারাবন্দিদের মতো আচরণ করা হয়েছে পুরো দলের সঙ্গে।

দেশে ফিরে এক টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে এ অভিযোগ করেছেন হাফিজ। তিনি বলেন, ‘সত্যি বলতে, আমরা দেশের প্রতিনিধি ছিলাম সেখানে। কিন্তু আমার মনে হয় না, নিউজিল্যান্ডে আমরা তেমন আপ্যায়ন পেয়েছি। আমাদের সঙ্গে যেমন ব্যবহার করা হয়েছে, তা ঠিক ছিল না। আমাদের সঙ্গে কারাবন্দির মতো আচরণ করা হয়েছে।’

শুধু তাই নয়, দুই সপ্তাহ কোয়ারেন্টাইনে থেকে খুবই অল্পদিনের অনুশীলনে টি-টোয়েন্টি খেলতে নেমে পড়াটাও সহজ ছিল না বলে জানান হাফিজ। তার ভাষ্য, ‘কারাগারে বন্দীর মতো অবস্থায় থেকে টি-টোয়েন্টির জন্য প্রস্তুতি নেয়া মোটেও সহজ ছিল না আমাদের জন্য। প্রথম ম্যাচের আগে আমরা মাত্র কয়েকদিন সময় পেয়েছি।’

উল্লেখ্য, তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজটিতে ১-২ ব্যবধানে হেরেছে পাকিস্তান। প্রথম দুই ম্যাচ জিতে সিরিজ নিশ্চিত করেছিল স্বাগতিক নিউজিল্যান্ড। তবে শেষ ম্যাচ জিতে হোয়াইটওয়াশ এড়ায় সফরকারীরা।

এদিকে নিউজিল্যান্ড সফরে গিয়ে দলের সদস্যদের একের পর এক করোনা পজিটিভ হওয়ার বিষয়টিও খোলাসা করেছেন হাফিজ। সফরের শুরুর দিন থেকে সিরিজ শুরুর আগে পাকিস্তান দলের অন্তত ১০ জন সদস্য করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হন। যে কারণে সফর বাতিলের শঙ্কাও জেগেছিল।

এর পেছনে নিম্নমানের ফ্লাইটকে দায়ী করে হাফিজ বলেন, ‘আমার মনে হয় বাণিজ্যিক বিমানে ভ্রমণ করায় খেলোয়াড়রা করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে। কারণ কয়েকজনকে ইকোনমি ক্লাসে ভ্রমণ করতে হয়েছে। সেখানে সামাজিক দূরত্বের কোনও বালাই ছিল না। এমনকি সতর্কতাও ছিল কম। যে কারণে খেলোয়াড়দের শরীরে ভাইরাস সংক্রমিত হয়ে থাকতে পারে।’