নোবিপ্রবি ডিবেটিং সোসাইটির সভাপতি সিয়াম সম্পাদক জিসান 

রিপন চন্দ্র শীল, নোবিপ্রবি প্রতিনিধি

নোবিপ্রবি ডিবেটিং সোসাইটির সভাপতি সিয়াম সম্পাদক জিসান 

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ডিবেটিং সোসাইটির ( নোবিপ্রবিডিএস) এর নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে।  এই কমিটি এক বছর দায়িত্বপালন করবেন।

নোবিপ্রবি ডিবেটিং  সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ফার্মেসি বিভাগের  সৈয়দ মুমতাহিন মান্নান সিয়াম আর বিজিই বিভাগের মো. জিসান কে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে। ৬ জানুয়ারি ( বুধবার) রাতে সংগঠনের সদ্য বিদায়ী সভাপতি ইমতিয়াজ আহমেদ বার্ষিক সাধারণ সভায় নতুন কমিটি ঘোষনা করেন। 

বিদায়ী কমিটির সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম সৌরভের সঞ্চালনায় বার্ষিক সাধারণ সভায় উপস্থিত ছিলেন, নোবিপ্রবি ডিবেটিং সোসাইটি মডারেট ও ইংরেজী বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আফসানা মৌসুমি। সহকারী মডারেটর, নোবিপ্রবি ডিবেটিং সোসাইটি  প্রভাষক এ,কিউ,এম সালাউদ্দিন পাঠান। নোবিপ্রবি ডিবেটিং সোসাইটি প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি মোঃ আসাদুজ্জামান ও শাহনেওয়াজ তাসনিম শাওন সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক, নোবিপ্রবি ডিবেটিং সোসাইটি। 

নব গঠিত কমিটিতে সহ-সভাপতি (প্রশাসন) পদে নির্বাচিত হয়েছেন মিফতাহ উদ্দীন মাহমুদ ও সহ- সভাপতি (বিতর্ক) পদে  হৃদয় কুমার ঘোষ। 

তাছাড়া,  যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (প্রশাসন) পদে  ইফতিয়া জাহিন রাইদাহ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (বিতর্ক) সাবরিনা চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক রাফি উল ইসলাম,কোষাধ্যক্ষ সাকিব সালিম সাহিত্য, দপ্তর সম্পাদক  পদে তুর্জয় চৌধুরী,  
বিতর্ক ও কর্মশালা সম্পাদক পদে  নাজমুল ইসলাম, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে  মাহমুদুল হাসান, সদস্য সম্পাদক তাসনিম তাবাসসুম অরিন, আপ্যায়ন বিষয়ক সম্পাদক শাহ মুজতাহিদ হাসান চৌধুরী, স্কুল কলেজ বিষয়ক সম্পাদক খাইরুন নাহার মুন্নী। 

এছাড়াও সিনিয়র সহযোগী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত  হয়েছেন সাবিহা তাবাসসুম, তাহমিনা নিলীমা, আকলিমা রহমান, শাহরিয়ার জামান সৈকত, তানজিনা তাবাচ্ছুম।

নোবিপ্রবিডিএসের মডারেট আফসানা মৌসুমি বলেন, সত্যিকার অর্থে নোবিপ্রবি ডিবেটিং সোসাইটি বর্তমান কমিটিকে ধন্যবাদ জানাই, এমন একটি বার্ষিক সাধারণ সভায় আমন্ত্রিত করে আবেগ আপ্লুত করার জন্য। নোবিপ্রবি ডিবেটিং সোসাইটি বিগত ৩ টি কমিটি যেরকম সক্রিয় ভূমিকা রেখেছে ও অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে এবং তারা সে অভিজ্ঞতাকে নিজেদের সাংগঠনিক কাজে লাগিয়েছে। প্রত্যেক কমিটি চেষ্টা করেছে পূর্বের থেকে ভালো করতে। কিন্তু আমার মতে, বর্তমান বিদায়ী কমিটি সবার চেয়ে সেরা কমিটি ছিলো। 

আমি মনে করি আরো কিছু বির্তাকিক সোসাইটির তৈরি করা দরকার।  এজন্য আমি মনে করি দৈনন্দিন পাঠের কোন বিকল্প নাই। এভাবে নোবিপ্রবি ডিবেটিং এতদূর আসার পিছনে সবচেয়ে বেশি আবদান আমাদের শিক্ষার্থীদের।