ভাঙা আঙুলে ছিটকে পড়া ওয়াগনারের বদলে কাকে নিলো নিউজিল্যান্ড?

ভাঙা আঙুলে ছিটকে পড়া ওয়াগনারের বদলে কাকে নিলো নিউজিল্যান্ড?

মাউন্ট মঙ্গানুইয়ে পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্টে ভাঙা আঙুল নিয়েই ৪৯ ওভার বোলিং করেছেন নিউজিল্যান্ডের বাঁহাতি পেসার নেইল ওয়াগনার। তার এই ৪৯ ওভারে মাত্র ১০৫ রান তুলতে পেরেছে পাকিস্তান, হারিয়েছে ৪ উইকেট। কিন্তু এই চোটের কারণে সিরিজের শেষ ম্যাচটি খেলা হবে এ ক্ষ্যাপাটে বাঁহাতি পেসারের।

ওয়াগনারের বদলে দ্বিতীয় ম্যাচের জন্য আরেক গতিতারকা ম্যাট হেনরিকে স্কোয়াডে অন্তর্ভুক্ত করেছে কিউইরা। সবশেষ টেস্ট খেলার ঠিক এক বছর পর আবারও সাদা পোশাকে মাঠে নামার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে হেনরির সামনে। এখনও পর্যন্ত ১২ টেস্ট খেলেছেন এ ডানহাতি গতিতারকা।

হেনরিকে দলে নেয়ার সিদ্ধান্ত জানিয়ে নিউজিল্যান্ড কোচ গ্যারি স্টেড বলেছেন, ‘সম্প্রতি বল হাতে ফর্মে রয়েছে হেনরি। ডিসেম্বরে পাকিস্তান এ দলের সঙ্গে নিউজিল্যান্ড এ দলের হয়ে ৫৩ রানে ৬ উইকে নিয়েছে। আমাদের এখনও কিছুদিন সময় আছে। উইকেট ও কন্ডিশন বুঝে আমরা দল সাজানোর সিদ্ধান্ত নেবো।’

দ্বিতীয় টেস্টে নিউজিল্যান্ড স্কোয়াড
কেন উইলিয়ামসন (অধিনায়ক), টম ব্লান্ডেল, ট্রেন্ট বোল্ট, ম্যাট হেনরি, কাইল জেমিসন, টম লাথাম, ড্যারেল মিচেল, হেনরি নিকলস, মিচেল স্যান্টনার, টিম সাউদি, রস টেলর, বিজে ওয়াটলিং (উইকেটরক্ষক) এবং উইল ইয়ং।

উল্লেখ্য, প্রথম টেস্টের প্রথম ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমে পাকিস্তানি পেসার শাহিন শাহ আফ্রিদির এক ইয়র্কারে পরাস্ত হন ওয়াগনার। সেটি সোজা আঘাত হানে তার পায়ের আঙুলে। এক্স-রে করে জানা যায়, ডান পায়ের আঙুলে চিড় ধরা পড়েছে তার।

তবে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে সেই ভাঙা আঙুল নিয়েই খেলা চালিয়ে যান তিনি। প্রথম ইনিংসে ২১ ওভারে ৫০ রান খরচায় নেন ২ উইকেট। দ্বিতীয় ইনিংসে বোলিং করতে হয় ২৮ ওভার, এবারও শিকার দুই উইকেট। সবমিলিয়ে ভাঙা আঙুলে বোলিং করেছেন ৪৯ওভার।

এর মাশুলটাও গুনতে হচ্ছে এ বাঁহাতি পেসারকে। ক্রাইস্টচার্চে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে খেলা হবে না ওয়াগনারের। নিউজিল্যান্ডের হেড কোচ গ্যারি স্টেড জানিয়েছেন এ তথ্য। শুধু ক্রাইস্টচার্চ টেস্ট নয়, অন্তত পাঁচ থেকে ছয় সপ্তাহের জন্য মাঠের বাইরে ছিটকে যেতে পারেন ওয়াগনার।

কিউই কোচ বলেছেন, ‘নেইল ওয়াগনার দুর্দান্ত ছিলো। আমার মনে হয় না তার মতো করতে পারা খুব বেশি খেলোয়াড় আছে। ব্যথা কমানোর জন্য সে ইনজেকশনের ওপর ছিল। আমাদের সঙ্গে দ্বিতীয় টেস্টের জন্য থাকছে না। তার সম্ভবত পাঁচ থেকে ছয় সপ্তাহ লাগতে পারে।’