রোজা রাখা যাদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ

রোজা রাখা যাদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ

কিছুদিন পরই আসছে পবিত্র রমজান মাস। এই মাসে সমগ্র মুসলিমরা আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আশায় সিয়াম সাধনা করেন। সারাদিন অনাহারে থেকে সন্ধ্যায় ইফতারের মাধ্যমে রোজা ভেঙে থাকেন রোজদার ব্যক্তিরা। রোজা রাখা স্বাস্থ্যের পক্ষে উপকারী। তবে এই দীর্ঘ সময় অনাহারে থাকা কারো কারো জন্য ক্ষতিকরও হতে পারে।  

আসন্ন মাহে রমজানকে সামনে রেখে লিভারের রোগ আক্রান্ত রোগীদের জন্য বিশেষ পরামর্শ দিয়েছেন হেপাটোলজি সোসাইটি বাংলাদেশ। লিভারের রোগ আক্রান্ত রোগীদের জন্য বিশেষ পরামর্শগুলো আপনাদের সামনে তুলে ধরা হলো-

যাদের জন্য রোজা রাখা ঝুঁকিপূর্ণ

>> উপসর্গযুক্ত জণ্ডিস বা একিউট হেপাটাইটিসে আক্রান্ত ব্যক্তি।

>> লিভার সিরোসিসে আক্রান্ত ব্যক্তি যাদের বর্তমানে পেটে পানি অথবা জন্ডিস রয়েছে।

>> রক্তবমি অথবা কালো পায়খানা হয়েছে।

>> খাদ্যনালীতে ব্যান্ড বা ইডিএল এর মাধ্যমে চিকিৎসা করা হয়েছে, যাদের কথাবার্তা বা আচরণে অসংলগ্নতা দেখা যাচ্ছে।

>> ডায়াবেটিস আছে এবং হাইপোগ্লাইসেমিয়া হবার ঝুঁকি আছে।

>> লিভার ক্যান্সারে আক্রান্ত ব্যক্তি যাদের লিভারের কার্যক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত।

যারা রোজা রাখতে পারবেন

>> লিভার সিরোসিসে আক্রান্ত ব্যক্তি যারা প্রাথমিক পর্যায়ে আছেন এবং উপরে উল্লেখিত লক্ষণসমূহ নেই।

>> ফ্যাটি লিভারে আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য রোজা রাখা লাভজনক।

>> হেপাটাইটিস 'বি' ভাইরাস বাহক ব্যক্তিরা।

>> ক্রনিক হেপাটাইটিস বি ও ক্রনিক হেপাটাইটিস সি রোগে আক্রান্ত।

>> লিভার ক্যান্সারে আক্রান্ত ব্যক্তি, যাদের লিভার স্বাভাবিকভাবে কার্যক্ষম রয়েছে।

>> লিভার ট্রান্সপ্লান্ট গ্রহীতারা দক্ষ লিভার বিশেষজ্ঞের তত্ত্বাবধানে থেকে রোজা রাখতে পারবেন।

>> গিলবার্ট সিনড্রোমে আক্রান্ত ব্যক্তি নিয়মিত সিরাম বিলিরুবিন মনিটরিংয়ের মাধ্যমে রোজা রাখতে পারবেন।