রাবির ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতিতে সাড়া ফেলছে রাবি চ্যালেঞ্জ বইটি

রাবির ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতিতে সাড়া ফেলছে রাবি চ্যালেঞ্জ বইটি

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক প্রথম বর্ষে (সম্মান) ভর্তি পরীক্ষার চূড়ান্ত আবেদনের সময়সীমা শেষ হয়েছে। এতে ভর্তি পরীক্ষার নির্ধারিত আসনসংখ্যার তুলনায় ৭ হাজার আবেদন কম পড়েছে। ইতোমধ্যেই রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার জন্য সহায়ক বই রাবি চ্যালেঞ্জ পরীক্ষার্থীদের মাঝে সাড়া ফেলছে। বইটিতে রাবির বিগত ১০ বছরের প্রশ্নের ব্যাখ্যা সহ সমাধান দেওয়ার পাশাপাশি বিগত সালের প্রশ্নের আলোকে গুরুত্বপূর্ণ টপিক গুলো সাজেশন আকারে উপস্থাপন করা হয়েছে। বইটি দেশের বিভিন্ন লাইব্রেরিতে পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়াও যারা অনলাইনে অর্ডার করতে চায় তারা ই-বই বিতান (www.eboibitan.com) থেকে অর্ডার করতে পারবেন। ই-বই বিতান এ রাবি প্রস্তুতি ছাড়াও অন্যান্য ভর্তি প্রস্তুতির বই পাওয়া যায়। রাবি চ্যালেঞ্জের রচয়িতা রাশেদ মেনন জানান, ভর্তি পরীক্ষার্থীদের কথা চিন্তা করে বোর্ড বইয়ের আলোকে সহজ ও সাবলীল ভাবে রাবি চ্যালেঞ্জ বইটি রচিত। আমি প্রথমে ভেবেছিলাম হয়তোবা বইটির চাহিদা কম থাকবে। কিন্তু মজার ব্যাপার মাত্র তিন দিনেই বাজারের সব বই বিক্রি হয়েছে। আশা করি, ভর্তি পরীক্ষার্থীদের জন্য বইটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। রাবি চ্যালেঞ্জের বাণিজ্য বইটির লেখক বিবেক মোর ২০১৫-১৬ সেশনে আইবিএ প্রথম স্থান অধিকারী। তিনি বলেন, আমাদের ভর্তি পরীক্ষার সময় বাজারে এমন সহায়ক বই ছিলো না, তখন বোর্ড বইই ছিলো আমাদের একমাত্র আস্থা। ভর্তি পরীক্ষার্থীদের কথা চিন্তা করেই রাবির বাণিজ্য বিভাগের জন্য রাবি চ্যালেঞ্জ বাণিজ্য বইটি সাজিয়েছি। আশা করি ভর্তি পরীক্ষায় অনেক গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা করবে বইটি। রাবি বাংলা বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী রনি হোসেন বলেন, ভর্তি পরীক্ষার সময় আমরা অনেক বই পড়ি। কিন্তু সঠিক বই নির্বাচনের অভাবে সফলতা পাইনা। রাবির এক বড় ভাইয়ের সহায়তায় আমি রাবি চ্যালেঞ্জ বইটি কিনেছিলাম। সত্যিই বইটিতে গুরুত্বপূর্ণ টপিকগুলো নিয়ে আলোচনা করা আছে, পাশাপাশি ব্যাখ্যাও আছে। আশা করি বইটি পড়লে আমার মতো নতুনরাও সফলতা পাবে। ভর্তি পরীক্ষার্থী মাইনুল বিশ্বাস বইটি কেনার পড় গুচ্ছ পদ্ধতি ভর্তি তথ্য কেন্দ্রে ফেসবুক গ্রুপে জানান, রাবি চ্যালেঞ্জ বইটি পড়ে আমি ভীষণ সন্তুষ্ট। বইটিতে বিগত বছরের প্রশ্নগুলো এত সু্ন্দরভাবে ব্যাখ্যাসহ উপস্থাপনা করা হয়েছে যা সত্যিই অমায়িক। পাশাপাশি টপিক ভিত্তিক আলোচনাগুলো ও বলার বাহিরে। আশা করছি এডমিশন টেষ্ট এ এটা আমার অনেক হেল্পফুল হবে। আগামী ১৪ জুন ‘সি’ ইউনিট, ১৫ জুন ‘এ’ ইউনিট এবং ১৬ জুন ‘বি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে । প্রতিটি ইউনিটের পরীক্ষা প্রতিদিন তিনটি পালায় (শিফট) সকাল সাড়ে ৯টা থেকে থেকে সাড়ে ১০টা, দুপুর ১২টা থেকে ১টা এবং বেলা ৩টা থেকে ৪টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে।