শীতে দাঁতের সমস্যা থেকে মুক্তি মিলবে এসব উপায়ে

শীতে দাঁতের সমস্যা থেকে মুক্তি মিলবে এসব উপায়ে

অনেকেই আছেন প্রায় সারাবছরই দাঁতের ব্যথায় ভুগে থাকেন। তবে শীতের সময়টাতে এই সমস্যা একটু বেশিই দেখা দেয়। বেশিরভাগ সময়ই আমাদের অবহেলার কারণে দাঁতে সমস্যা দেখা দেয়। দাঁতের সমস্যার কোনো বয়স নেই। পাঁচ বছরের শিশু থেকে ৫০ বছরের ব্যক্তিরও দাঁতের সমস্যা হতে পারে। 

দাঁতের গোড়া বা স্নায়ু ক্ষতিগ্রস্ত হলে মারাত্মক যন্ত্রণা হয়। ব্যথার চোটে মাথা, চোখ ব্যথাও শুরু হয়ে যায়। অত্যধিক দাঁতে ব্যথা হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। তবে শুরুর দিকে এই ব্যথা ঘরোয়া কিছু টোটকার মাধ্যমে দূর করতে পারেন। চলুন জেনে নেয়া যাক সেসব- 

লবণ গরম পানিতে কুলকুচি 
এই ঘরোয়া টোটকা কমবেশি সবাই জানেন। এটি দাঁতের ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়ার প্রথম এবং সেরা উপায়। লবণ পানি হলো প্রাকৃতিক জীবাণুনাশক, যা দাঁতের ফাঁকে আটকে থাকা খাদ্য বা ময়লা দূর করতে সহায়ক। এছাড়া এটি দাঁতের ব্যথা কমানোর পাশাপাশি দাঁতের ক্ষত-ও সারিয়ে তুলতে পারে। এক গ্লাস গরম পানিতে আধা চা চামচ লবণ মেশান এবং সেই পানি দিয়ে কুলকুচি করুন।

রসুন 
রসুন ঘরোয়া অ্যান্টিবায়োটিক, প্রাচীন কাল থেকেই শরীরের বিভিন্ন সমস্যায় রসুনের ব্যবহার হয়ে আসছে। রসুন দাঁতে তৈরি হওয়া ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়াকে মারে, ব্যথা উপশমেও সহায়ক। একটা-দুটো রসুনের কোয়া নিয়ে থেঁতলে নিন, তার সঙ্গে সামান্য নুন মিশিয়ে যন্ত্রণার জায়গায় লাগান। রসুন চিবিয়েও খেতে পারেন। যন্ত্রণা কম না হওয়া পর্যন্ত প্রতিদিন লাগাতে পারেন।

লবঙ্গ 
দাঁতের ব্যথার উপশমে আয়ুর্বেদে দীর্ঘকাল ধরেই লবঙ্গের ব্যবহার হয়ে আসছে। লবঙ্গ তেল দাঁতের ব্যথার উপশমে খুব কার্যকরী। দু-তিন ফোঁটা লবঙ্গের তেলের সঙ্গে আধ চা চামচ অলিভ অয়েল মিশিয়ে নিন। তারপর তুলায় করে ব্যথার জায়গায় লাগান। কিছুক্ষণ রাখার পর পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন। দিনে দুই থেকে তিনবার এটি লাগাতে পারেন। 

পেয়ারা পাতা 
পেয়ারা পাতায় থাকে অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি বৈশিষ্ট্য, যা যন্ত্রণা কমাতে সাহায্য করে। চিবিয়ে খেতে পারেন বা পানিতে কয়েকটা পেয়ারা পাতা ফুটিয়ে সেই পানি দিয়ে কুলকুচি করতে পারেন। যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পাবেন কয়েকদিনেই!