হার না মানা মানবিক যোদ্ধার নাম জুয়েল আল হাসান (জনাব)।

হার না মানা মানবিক যোদ্ধার নাম জুয়েল আল হাসান (জনাব)।

বেলকুচি উপজেলার বয়ড়াবাড়ি গ্রামের মোঃ সোহরাব আলী শেখের বড় ছেলে জুয়েল আল হাসান (জনাব)। লেখাপড়া করে বেলকুচি সরকারি কলেজে অনার্স ব্যবস্থাপনা বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষে।

মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে বেড়ে ওঠা ছেলেই হলো জুয়েল আল হাসান (জনাব)। সামাজিক মানবিক ও বিভিন্ন সমাজসেবা কাজে উদ্ভুত হয়েছেন তার বাবার কাছেই প্রথম৷ 

দীর্ঘ ৫ বছর হলে নিজের সবটুকু দিয়ে

অনলাইন ও অফলাইনে মানবিক, সামাজিক, ধার্মিক ও বিভিন্ন সমাজসেবা মূলক কাজ করে যাচ্ছেন জুয়েল আল হাসান (জনাব)।

তাকে জিজ্ঞেস করা হলে বলেন অফলাইনে কাজ করেন নিজে থেকে বেশি এবং শুভাকাঙ্ক্ষী দের একত্রিত করে উদ্যোগ নিয়ে। আর অনলাইনে কাজ করে সে তার ফেসবুক আইডির মাধ্যমে৷ কোনো অসহায় রোগী অথবা কোনো অসহায় পরিবারের ঘরে খাবার নাই, মাদ্রাসা মসজিদে কোরান শরীফ ব্যবস্থা করে দেওয়া। এতিম মেয়েদের বিয়ে দিয়ে দেওয়া থেকে শুরু করে সব ধরনের সমাজসেবামূলক কার্যক্রমের সাথে নিজেকে ২২ বছর বয়সে জড়িয়ে ফেলেছেন জুয়েল আল হাসান (জনাব)। সে বিভিন্ন অসহায় মানুষের সমস্যা ও বিভিন্ন মাদ্রাসা মসজিদে কোনো কিছু লাগলে বিস্তারিত ফেসবুকে পোস্ট দিলে তার ফেসবুক ওয়ালে থাকা বন্ধুরা ও ফলোয়ার রা এগিয়ে আসেন। 

সেইগুলো সে আবার স্বচ্ছতার সাথে বিস্তারিত হিসাব আপডেট দিয়ে থাকেন। আবার সেগুলো কিভাবে খরচ হলো সব কিছু উল্লেখ করে দেন। একারণেই খুব সহজেই সবার অন্তরে যায়গা করে নিয়েছে ২২ বছর বয়সী এই জুয়েল আল হাসান (জনাব)।

তাকে জিজ্ঞেস করা হলে উত্তর জানায় একটা সময় অনেক কষ্টে বাবা মা আমাদের তিন ভাই বোনকে লেখা পরার পাশাপাশি সংসার চালিয়েছেন। এখন আমাদের পারিবারিক অবস্থা অনেক ভালো আল্লাহর রহমতে। কিন্তু ফেলে আসা সেই অতীত কে ভূলতে পারিনা। অতীতের সেই তারনা থেকে এই কাজ গুলো করার চেষ্টা করি। সারাজীবন এই কাজ গুলো করার জন্য জুয়েল আল হাসান (জনাব) সবার কাছে দোয়া চায়। 

এছাড়া সে "আমাদের বেলকুচি" ফেসবুক গ্রুপের এডমিন প্যানেল এর সাথে জড়িত আছেন। এই গ্রুপ থেকেও সবাই উদ্যোগ নিয়ে ভালো ভালো কাজ করার চেষ্টা করেন।

তার স্বপ্ন নিজে মানবতার কল্যানে সবটুকু দিয়ে কাজ করবে, সেইসাথে সমাজে তার মত হাজার হাজার স্বেচ্ছাসেবী হবে এটাই তার আশা।